স্বজন তারেক আল হাসান জানান, শুক্রবার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর রাত ৮টার দিকে আমিরুন্নেছাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তারা।
দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়া যাত্রীরা জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহন আটকে থাকায় প্রচণ্ড গরমে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। অনেকেই খাবার ও পানির সংকটেও পড়েন।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রেমদাস রায় বলেন, মহাসড়কে একজন মারা যাওয়ার খবর গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে জানতে পেরেছি। বর্তমানে যানজট কমে এসেছে। মহাসড়কের সবগুলো লেনেই গাড়ি চলছে।