জিম্বাবুয়েতে বাংলাদেশ দলের সময়টা কাটছে বিভীষিকার মতো। টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর হারতে হয়েছে ওয়ানডে সিরিজও। তৃতীয় ওয়ানডেতে সান্ত্বনার জয় এলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ফের হারের মুখ দেখেছে বাংলাদেশ। বুলাওয়েতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি উড়ন্ত সূচনা এনে দেন জিম্বাবুয়েকে। ৯ বলে ১৪ রান করে মারুমানি বিদায় নিলেও বেনেট রানের চাকা সচল রাখেন। ডিওন মেয়ার্স একপ্রান্ত আগলে রাখতে গিয়ে ২০ বলে ২০ রান করে বিদায় নিলে বোলারদের ওপর চড়াও হন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। ১৩ বলে ২০ রান করে তিনি সাজঘরে ফেরার আগে অবশ্য বেনেটকে বিদায় নিতে হয়। তার আগে ৩০ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৪ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন এই ওপেনার। শেষদিকে ২৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন রায়ান বার্ল। ১০ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ব্র্যাড ইভান্স। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত শুরু পান নাহিদ রানা। মাত্র ৩ রান খরচ করে চারটি উইকেট শিকার করে ফেলেন তিনি। যদিও শেষ ওভারে খরচ করেন ১৮ রান। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন পান জোড়া উইকেট। জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশ প্রথমে হারায় সাইফ হাসানকে। খোলসবন্দী সাইফ ১৫ বলে রান করেন মোটে ১২। তানজিদ তামিম ৮ বলে ১৬ রান করলেও থিতু হতে পারেননি। পারভেজ হোসেন ইমন, অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহান- প্রত্যেকেই ছিলেন মলিন। প্রায় ৩ বছর পর একাদশে ফেরা ইয়াসির আলী এক প্রান্ত আগলে রেখে ৩৮ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন, হাঁকান দুটি চার ও তিনটি ছক্কা। তবে তা শুধু পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। শেষদিকে ১৮ বলে ১৯ রান করেন শেখ মেহেদী হাসান। মাত্র ১৩৮ রানে গুটিয়ে গেলে ৩২ রানের বড় পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে। জিম্বাবুয়ের পক্ষে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানি চারটি করে উইকেট শিকার করেন।