জানা নিউজ

চরফ্যাশন উপজেলার কিংবদন্তি জনপ্রিয় রাজনৈতিক সহিদ মালতিয়ার মৃত্যু বার্ষিকী আজ

আজ তেইশ ডিসেম্বর ভোলার জেলার চরফ্যাশন উপজেলার কিংবদন্তি জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সাবেক গ্রাম সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ধানের শীষের এমপি প্রার্থী জনাব আব্দুস শহিদ মালতিয়ার ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী। তার হাত ধরেই বিএনপির উত্থান। ভোলা ৪ আসনে বিএনপির জনপ্রিয়তার প্রধান ব্যাক্তিত্ব সহিদ মালতিয়া। তার আগে যতজন ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন প্রত্যেকেই জামানত হারিয়েছেন। নতুন প্রজন্মের অনেকেই জানেন না জনপ্রিয় এ রাজনীতিবিদের ইতিহাস। চরফ্যাসনের ঐতিহ্যবাহী মালতিয়া পরিবারে জন্মগ্রহন করা সহিদ মালতিয়া তৃনমূল থেকে উঠে আসা একজন জনপ্রিয় নেতা। তার দাদা ছিলেন বৃহত্তর চরফ্যাসন এলাকার প্রেসিডেন্টএবং বিশাল বিত্তবৈভবের মালিক। বর্তমান উপজেলা সদরে অবস্থিত উপজেলা পরিষদ,থানা কমপ্লেক্স,মসজিদ,মাদ্রাসা স্কুল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এ পরিবার। বিশাল বিত্তশালী হওয়া সত্বেও সাধারন মানুষের কল্যানে এ পরিবারটি নিজেদের অর্থ সম্পদ খরচ করেছেন। পরিবারের ঐতিহ্য সাথে নিয়ে সহিদ মালতিয়া জনকল্যানে পরিবারের প্রচুর অর্থ সম্পদ খরচ করেন। সাধারণ মানুষ, কৃষক,শ্রমিক মেহনতি মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করেছেন। তার নিঃস্বার্থ  কাজের প্রতিদান সরুপ জনগন তাকে গ্রাম সরকার, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে। ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করে তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেন তৎকালীন ক্ষমতাধর মন্ত্রী নাজিউর রহমান মঞ্জু আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের সাথে চ্যালেঞ্জ করে সাবেক সংসদ জ্যাকবের পিতা সংসদ  সদস্য অধ্যক্ষ মিয়া মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে  বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র নিজ পরিবারের বিদ্রোহী প্রার্থী মোকাবেলা করেও নির্বাচনে মাত্র দুই হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। মাত্র ৩৯ বছর বয়সে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন। ক্ষনজন্মা এ ব্যাক্তি বেচে থাকলে চরফ্যাসনের উন্নয়ন সামাজিক অবস্থান অনন্য উচ্চতায় পৌছে যেত। তার বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি।