গত ২১ জুলাই সিঙ্গাপুরের মেরিনা বে স্যান্ডস অ্যাক্সপো অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে এই বৈশ্বিক আসরে অংশ নেওয়া তরুণ গণিতপ্রেমীরা ব্যক্তিগত মেধা প্রকাশের পাশাপাশি দলগত দক্ষতা, কৌশলগত চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধানের সামর্থ্যের পরিচয় দিয়েছে।
প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা মূল তিনটি ক্যাটাগরি ‘Math Olympiad’, ‘Math Warriors’ এবং ‘Math Master Mind’-এ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
অনুষ্ঠানে ২৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, শিক্ষা প্রতিনিধি ও আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মানহা’র বাবা ব্যবসায়ী মো. মোরশেদুল ইসলাম বলেন, মেয়ের এই অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের।
ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মো. তানভীরুল হক বলেন, আমরা বিশ্বব্যাপি প্রায় ৫০টিরও অধিক অলিম্পিয়াডস আয়োজক সংগঠনের সহযোগী অংশীদার। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশ দেশের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক গণিত, বিজ্ঞান, ইংরেজি, ইনফরমেটিক্স, রোবটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদ্ভাবনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াড ও অ্যাকাডেমিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে আসছে। আমাদের ব্যবস্থাপনায় ছোট্ট মেধাবীরা সাফল্য দেখিয়ে আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, জাপান, সিংগাপুর থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ডায়মন্ড ও গোল্ড, সিলভার অ্যাওয়ার্ড নিয়ে এসেছে।
গত এক বছরে চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৪ জন স্বর্ণপদক, ৯ জন রৌপ্যপদক ও ৬ জন ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে।