নিরাপদ খাদ্য ও আধুনিক কৃষির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে এখন অর্গানিক ও নন-জিএমও পণ্যের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। এশিয়ার জলবায়ু ও পরিবেশে শতভাগ অর্গানিক চাষাবাদ চ্যালেঞ্জিং হলেও কীটনাশক মুক্ত ও সেফ ফুড (নিরাপদ খাদ্য) উৎপাদন পুরোপুরি সম্ভব। এক্ষেত্রে দেশের তরুণ শিক্ষিত প্রজন্ম ও নতুন উদ্যোক্তারা কৃষিতে যুক্ত হয়ে যে সাফল্য দেখাচ্ছেন, তা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
কৃষি গবেষণাকে উৎসাহিত করতে সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, কৃষিক্ষেত্রে যুগান্তকারী উদ্ভাবনকারী বিজ্ঞানী ও তাদের দলকে এককালীন সম্মাননার পাশাপাশি মূল উদ্ভাবককে আমৃত্যু বিশেষ সম্মাননা দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রিটায়ারমেন্ট-পরবর্তী সুযোগ-সুবিধা এবং মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
জলবায়ু পরিবর্তন ও মাটির গুণাগুণ বজায় রেখে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ এবং পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান কৃষিমন্ত্রী।