সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় কমিটি গঠনের সময় ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দোসরদের পুনর্বাসন করা হয়েছে এবং জুলাইযোদ্ধাদের পরিকল্পিতভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে। মধ্যপন্থার রাজনীতির লক্ষ্য নিয়ে এনসিপি গঠিত হলেও কেন্দ্রীয় কমিটি সেই অবস্থান থেকে সরে এসে দুই মাসের মধ্যে দুটি জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়। এ ছাড়া উপদেষ্টাসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও তোলা হয়। প্রার্থী মনোনয়ন নিয়েও অসন্তোষের কথা জানান তারা। মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে জুলাইযোদ্ধারা কাজ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না বলেও সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়। তাদের অভিযোগ, কমিটিতে অনুগত শ্রেণি তৈরির লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায়ের জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতাকর্মীদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বাংলানিউজকে বলেন, হতাশা থেকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত বাংলাদেশে মধ্যপন্থার রাজনীতি করে; এমন কোনো দল আছে বলে মনে হয় না। তবে এনসিপি যদি ভুল সংশোধন করে বা নতুন করে এমন কোনো মধ্যমপন্থার দল গড়ে ওঠে, যারা একাত্তর ও চব্বিশ-উভয়কে ধারণ করবে, তাহলে যুক্ত হওয়ার কথা ভাববেন পলাশ। অন্যথায় একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবেই থাকবেন বলে জানান তিনি।