মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে বৈরুতের স্কুলপড়ুয়া শিশুরাও ঘুম থেকে জাগবে– যদি তারা সত্যিই ঘুমাতে পেরে থাকে, কারণ রাজধানীজুড়ে রাতটি ছিল অত্যন্ত শব্দমুখর। তারা আজ স্কুলে যাচ্ছে না, কারণ বৈরুতের অনেক স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। দক্ষিণ শহরতলি থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা হাজার হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য স্কুলগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে।