কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় ট্রাম্পের বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি অনির্দিষ্ট, অন্তত যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে।
এ অবস্থান পরিবর্তন এমন এক সময়ে ঘটল যখন ইরানের কর্মকর্তারা দেশটির বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধের নিন্দা জানিয়েছেন, যা বুধবারের নির্ধারিত আলোচনায় তাদের অংশগ্রহণকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।
এরপর, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করতে সম্মত হওয়ায় ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন যে, ইসলামাবাদ এ সংঘাতের একটি সমঝোতামূলক সমাধানের জন্য চাপ অব্যাহত রাখবে।
এক্স-এ একটি পোস্টে শরিফ বলেছেন, আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে এবং সংঘাতের স্থায়ী অবসানের জন্য ইসলামাবাদে নির্ধারিত দ্বিতীয় দফা আলোচনায় একটি ব্যাপক ‘শান্তি চুক্তি’ সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে।
নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায়, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি ইরানকে ইসলামাবাদে আলোচনার টেবিলে আনতে যথেষ্ট হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়।
মঙ্গলবার এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইরানি বন্দর অবরোধকে একটি ‘যুদ্ধকালীন কাজ’ এবং বিদ্যমান যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।
আরাঘচি লিখেছেন, নিষেধাজ্ঞা নিষ্ক্রিয় করতে, নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে এবং ধমকবাজি প্রতিহত করতে ইরান জানে।
সূত্র: আল-জাজিরা