লর্ডসে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন স্কাই স্পোর্টসে ওই সাক্ষাৎকার প্রচারের পর পাকিস্তান মাঠে না নামার হুমকি দিয়েছিল বলে খবর প্রকাশের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্রিটিশ সরকারের সহায়তা চেয়েছিল ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
প্রথম চিঠিটি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাঠানো হলেও তাতে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি। চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় চিঠিটি পাঠানো হয়। এর আগে সংক্ষিপ্ত মেডিকেল পরীক্ষা শেষে ইমরানকে আবার আদিয়ালা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
স্কাই স্পোর্টসে প্রচারিত সাক্ষাৎকারে সুলেইমান ও কাসিম তাদের বাবার কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এমনকি কারাগারে ইমরানের জীবন নিয়েও গুরুতর আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
সাক্ষাৎকারে কাসিম বলেন, ‘তারা কী করছে, সেটি খুব একটা পরিষ্কার নয়। তারা তাকে সেখানে সরাসরি মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। যতটা সম্ভব তাকে আটকে রাখা এবং নীরব করে দেওয়াই তাদের উদ্দেশ্য।’
২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইমরান। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর একাধিক মামলায় কারাবন্দী রয়েছেন তিনি। এর মধ্যে দুর্নীতির কয়েকটি মামলায় তার ১০, ১৪ ও ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।
এ ছাড়া ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে নিজের বর্তমান স্ত্রীকে বিয়ের সময়সংক্রান্ত একটি মামলায় ইমরানকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ইমরানের ছেলেদের সাক্ষাৎকার ঘিরে পিসিবির আপত্তি এবং ম্যাচ বয়কটের সম্ভাবনা শেষ পর্যন্ত মাঠের খেলায় বড় কোনো প্রভাব না ফেললেও ঘটনাটি ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজের বাইরেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।