চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে আর্সেনাল। দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল করে লিলকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। এমিরেটস স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের হয়ে গোল করেছেন জুরিয়েন টিম্বার, এবেরেচি এজে ও বুকায়ো সাকা। এই জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি আসরে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে আর্সেনাল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মৌসুমের প্রথম ১০ ম্যাচে এটি তাদের নবম জয়। দাপট দেখিয়ে খেললেও ম্যাচের প্রথম এক ঘণ্টা আর্সেনালের জন্য মোটেও সহজ ছিল না। ফরাসি ক্লাব লিলের জমাট রক্ষণ ভাঙতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে স্বাগতিকদের। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি তারা। ম্যাচের ২২ মিনিটে আয়াসে উয়েদার গোলে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল লিল। তবে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। অন্যদিকে, আর্সেনালের হয়ে ব্রুনো গিমারায়েস ও মিকেল মেরিনোও সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু গিমারায়েসের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, আর মেরিনোর হেড সহজেই ঠেকিয়ে দেন লিলের গোলরক্ষক বেরকে ওজের। বিরতির পরও গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় আর্সেনালকে। অবশেষে ম্যাচের ৬২ মিনিটে প্রতীক্ষার অবসান ঘটান টিম্বার। ননি মাদুয়েকের পাস পেয়ে দুর্দান্ত প্রথম স্পর্শে লিল অধিনায়ক বেনজামিন আন্দ্রেকে কাটিয়ে এগিয়ে যান এই ডিফেন্ডার। এরপর গোলরক্ষককে সামনে এগিয়ে আসতে দেখে চিপ শটে বল জালে পাঠান তিনি। এর মাত্র তিন মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এজে। বদলি হিসেবে নামা সাকার ক্রস থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন ইংলিশ এই মিডফিল্ডার। এরপর লিলকে ম্যাচে ফেরার আর কোনো সুযোগ দেয়নি আর্সেনাল। ৭১ মিনিটে সাকা নিজেই গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন। বদলি হিসেবে নামা কাই হাভার্টজের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ার পর বল জালে পাঠান এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড। শেষ দিকে আর্সেনালের জার্সিতে এমিরেটসে ফেরেন ৪০ বছর বয়সী অলিভিয়ের জিরুও। একই সময়ে মাঠে নামার সুযোগ পান তরুণ ম্যাক্স ডাউম্যান। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্বে এটি আর্সেনালের টানা ১৪তম জয়। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ইন্টার মিলানের কাছে ১-০ গোলে হারের পর ইউরোপের এই প্রতিযোগিতার লিগ পর্বে আর পয়েন্ট হারায়নি তারা।