শুক্রবার সোহানকে নিয়ে বাশার বলেন, ‘সোহান তো এসেছে লিটনের জায়গায়।
ওয়ানডে ক্রিকেটে এক দশকের বেশি সময় ধরে খেললেও এখনো এই সংস্করণে অর্ধশতকের দেখা পাননি সোহান। জাতীয় দলে সুযোগ পেলেও ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে না পারায় দলে তার অবস্থানও নিয়মিত হয়নি। লিটনের জায়গায় পাওয়া সর্বশেষ সুযোগটিও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।
এদিকে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধান নির্বাচক সমস্যার মূল জায়গা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন টপ অর্ডারকে। তার মতে, ইনিংসের শুরুর দিকে দ্রুত উইকেট হারানোর কারণে পরের ব্যাটারদের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। ফলে মিডল অর্ডারকে কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে হচ্ছে।
বাশার বলেন, ‘আমাদের সমস্যা টপ অর্ডারে। আপনি যখন প্রথম ১০ ওভারে ২/৩ উইকেট হারিয়ে ফেলবেন, তখন সবসময় চাপে থাকবেন। মিডল অর্ডার সবসময় চাপে পড়ে যায়। আগের পরিসংখ্যানগুলো দেখলে বুঝবেন, আমাদের ওপেনিং পার্টনারশিপ ভালো হলে ২৬০, ২৭০, ২৮০ রান করেছি। আমার মনে হয় মিডল অর্ডার না, টপ অর্ডারে সমস্যা।’
ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ব্যাটিং নিয়ে এমন মূল্যায়নের পাশাপাশি ভবিষ্যতে মিডল অর্ডারে আরও বিকল্প তৈরির ইঙ্গিতও দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক। টি-টোয়েন্টি দলে ইয়াসির আলী রাব্বিকে ফেরানো হয়েছে।
তাকে ওয়ানডে দলেও দেখা যেতে পারে কি না, এমন প্রশ্নে বাশার বলেন, ‘আমরা ইয়াসির রাব্বিকে টি-টোয়েন্টি দলে নিয়েছি, হয়তো ভবিষ্যতে ৫০ ওভারের ক্রিকেটেও দলে নিতে পারি।’