কালীপূজার সঙ্গে দীপাবলি উৎসবের রয়েছে বিশেষ সম্পর্ক। এদিন সন্ধ্যায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বালন করে প্রয়াত মা-বাবা, স্বজন ও পূর্বপুরুষদের স্মরণ করেন। অন্ধকার দূর করে আলোর মাধ্যমে শুভ ও কল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই দীপাবলির মূল প্রতিপাদ্য। বাঙালি হিন্দুদের কাছে এটি দীপাবলি নামে পরিচিত হলেও অবাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকে উৎসবটিকে দিওয়ালি বলে থাকেন।
দুর্গাপূজার মতো শ্যামাপূজাতেও মণ্ডপে বা গৃহে মৃন্ময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়। এ ছাড়া মন্দির ও বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত পাথর বা ধাতুর প্রতিমাতেও পূজা অনুষ্ঠিত হয়। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, কালী শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এ কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্মশানেও বিশেষ আয়োজনে শ্মশান কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়।
রাজধানীতে শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, রায়েরবাজার মন্দির, সবুজবাগের বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিউ ঠাকুর মন্দির এবং পোস্তগোলা মহাশ্মশানে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার ও বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও আলোকসজ্জার মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপিত হবে।