এ বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শাহেদ শরীফ আহমেদ বলেন, ওয়েবসাইটে সংগৃহীত ডেটাবেজ বিশ্লেষণ করে দেশের কোন বিভাগে ঘুষের অভিযোগ বেশি, তা চিহ্নিত করতে তিনি সরকারকে সহযোগিতা করতে চান।
তবে একা সবকিছু সামলাতে গিয়ে তার পড়াশোনায় ক্ষতি হচ্ছে বলেও জানান শাহেদ। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সহায়তা বা স্বীকৃতি পেলে কাজের চাপ কমবে এবং পড়াশোনার পাশাপাশি এটি চালিয়ে নেওয়া সহজ হবে।
জানা যায়, প্রয়াত শিক্ষিকা মায়ের পেনশনের টাকা তুলতে বিভিন্ন পর্যায়ে ঘুষ দাবির মুখে পড়েন শাহেদ। পাশাপাশি নিজের পাসপোর্ট করতেও তাকে তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়। এসব অভিজ্ঞতার প্রতিবাদ হিসেবে গত ২১ আগস্ট তিনি ‘ঘুষ ডট সাইট’ চালু করেন।
এদিকে শাহেদ শরীফের মায়ের মৃত্যুর পর সরকারি পাওনা পেতে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়। তিন সদস্যের এই কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
গত সোমবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের এক আদেশে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান করা হয়েছে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিকদার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ কুমার তরফদার ও মো. সাদ্দাম হোসেন।
তদন্ত কমিটির প্রধান সিকদার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ‘ঘুষ ডট সাইট’ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখতে কমিটি করা হয়েছে। বতর্মানে তদন্ত চলমান।