তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যে নামেই থাকুক না কেন, ফ্যাসিস্টদের কোনো জায়গা বাংলাদেশে হবে না। এখন জাতীয় পার্টি নামে কুলাঙ্গাররা আবার ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। ওসমান হাদির রক্তের শপথ, ওদের বাংলাদেশে এক ইঞ্চিও জায়গা দেওয়া হবে না।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ডাকসুর সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক এবি জুবায়ের প্রমুখ।
প্রতিবাদ সমাবেশে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশ ৫ আগস্টের অতীতে ফিরে যাবে না, আওয়ামী লীগ ফিরে আসতে পারবে না। বাংলাদেশের ওপর দিল্লির দাসত্ব কায়েম হবে না। বাংলাদেশের কোনো ‘সুশীল সাংবাদিক’ এ দেশের আজাদির লড়াই দিল্লির কাছে বেচে দিতে পারবে না।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, জুলাইয়ের অংশীজনদের মধ্যে বিভাজন নতুন করে পরাজিত শক্তিকে বাংলাদেশে পুনর্বাসনের একটি পথ তৈরি করছে। আমরা চিৎকার করেছি, অনেক বলেছি; কিন্তু মনে হচ্ছে জুলাই বিপ্লবের অংশীজনদের এই কথাটি বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি।
সমাবেশ শেষে একটি মিছিল শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলকে আমরা ঢালাওভাবে সন্দেহের চোখে দেখছি না, আবার কাউকেই সন্দেহের বাইরে রাখছিও না। আমরা কাউকে নির্বিচারে দোষারোপ করার পক্ষপাতী নই। আমরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে বিশ্বের যেকোনো দেশে চিকিৎসার জন্য পাঠাতে তারা প্রস্তুত রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছি। গোয়েন্দা সংস্থা আমাদের কাছে অপরাধী শনাক্তের জন্য ফুটেজ চায় তাহলে গোয়েন্দাদের কাজ কী? ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে তারা সক্ষম হয়নি।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ নির্বাচন আয়োজনের কথা বলছে; অথচ ঢাকা-৮ আসনের একজন প্রার্থীকে প্রকাশ্যে গুলি করা হয়। আগামী ১৫ তারিখ আমরা সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছি। সেখানে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীরা সংহতি প্রকাশ করবেন।