জানা নিউজ

নিরাপদ স্থানে সরে গেলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে নেই। তাকে ‘নিরাপদ স্থানে’ স্থানান্তর করা হয়েছে বলে এক ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন।

আজ শনিবার সকালে ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আক্রমণ শুরু করে। ইসরায়েল এই হামলাকে ‘পূর্ব-নির্ধারিত আক্রমণ’ (প্রি-এম্পটিভ অ্যাটাক) বলেছে।

হামলার সময় আইডিএফ নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে থাকার জন্য জাতীয় সতর্কতা জারি করে। আইডিএফ বলেছে, ‘এটি জনসাধারণকে ইসরেলের দিকে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুত রাখার একটি প্রাক-সতর্কতা।’

একজন ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘শিল্ড অফ জুদাহ’ নামের এই অভিযান কয়েক মাস ধরে পরিকল্পিত ছিল এবং এর সময়সূচি কয়েক সপ্তাহ আগে নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের সূত্র জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য হলো ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকি দূর করা, বিশেষভাবে ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও মানববিহীন বিমান (ড্রোন) ঘাঁটিকে লক্ষ্য করা।

ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র শনিবার সকালে ইরানের ওপর আকস্মিক হামলা চালিয়েছে, তেহরানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় ইরানের আইআরজিসি ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টরেট এবং তেহরানের কেন্দ্রীয় এলাকা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় দেশটি তার আকাশসীমা বন্ধ করেছে।