ফাইফার নিয়েই চলেছেন হাসান মাহমুদ। বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ে সম্ভবত এই মুহূর্তে সবচেয়ে দারুণ ব্যাপার হাসানের বোলিং। চোখের মনের প্রশান্তি বইয়ে দেওয়া এমন বোলিং বাংলাদেশে তো বটেই, বিশ্ব ক্রিকেটেই খুব কম বোলারের আছে। সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৬ উইকেট স্বীকার করেছেন হাসান। এবারের ফাইফারের সুবাদে এক বিশ্বরেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন হাসান, যেখানে আর কেউ নেই। আগের দিনই ২ উইকেট তুলেছিলেন হাসান। দ্বিতীয় দিনে আমির জাঙ্গু, রোস্টন চেইজ, জশুয়া বিশপ এবং শামার জোসেফকে সাজঘরে ফেরান হাসান মাহমুদ। এই নিয়ে ১৯ টেস্টের ক্যারিয়ারে ৫ম ফাইফার পেলেন হাসান, ৫টি আবার ৫ ভিন্ন দেশে। শুরুটা পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে। দ্বিতীয় ফাইফার ভারতের চেন্নাই টেস্টে। অস্ট্রেলিয়াতে ডারউইন টেস্টে নিয়েছিলেন ৯ উইকেট, সেখানেও ছিল ফাইফার। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি টেস্টে হ্যাটট্রিকসহ ফাইফারের পর এবার বাংলাদেশের সিলেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক ইনিংসে ৫ উইকেট স্বীকার করলেন হাসান। এর মাঝে কাউন্টিতে ইংল্যান্ডেও ফাইফার নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। যদিও তা ছিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট, টেস্ট নয়। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম পাঁচ ফাইফার পাঁচটি ভিন্ন দেশে নিলেন বাংলাদেশের হাসান মাহমুদ। এর আগে টেস্টে প্রথম পাঁচ ফাইফার পাঁচ ভিন্ন দেশে নেওয়ার কীর্তি ছিল অস্ট্রেলিয়ার স্পিন গ্রেট নাথান লায়নের। তবে লায়ন পেসার নন, স্পিনার। হাসান মাহমুদ পেসার। প্রথম পাঁচ ফাইফার পাঁচ ভিন্ন দেশে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাই হাসানই সর্বপ্রথম এবং এখনও পর্যন্ত একমাত্র।