শনিবার (৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি, প্রসিকিউটর ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রাজধানীর কচুক্ষেতে ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করেন।
আমিনুল ইসলাম বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করেছিল। যেখানে কিছুসংখ্যক অতি উৎসাহী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই আয়নাঘর নামে টর্চার সেলগুলো প্রতিষ্ঠা করেছিল। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, ইসলামিক সংগঠনের নেতা, ভিন্ন মতের ব্যক্তিত্ব তাদের ধরে আনা হয়েছিল। অনেক মানুষকে এখান থেকে পরে গুম করা হয়েছে। অনেক ভিকটিমদের এখন পর্যন্ত কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ডিজিএফআই এবং জেআইসি সেলের সম্পৃক্ত যেসব কর্মকর্তা ছিল, তাদের অনেককেই বিচারের আওতায় আনা হয়েছে এবং তাদের বিচার চলছে। ভবিষ্যতেও যাদের সংশ্লিষ্টতা এভাবে পাওয়া যাবে, তাদেরও বিচারের সম্মুখীন করা হবে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, তাকেও কিন্তু এই জেআইসি সেলে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। তিনি কতদিন বন্দি ছিলেন, তার নিজের হাতের একটা লেখা ছিল ‘এইচ কিউ সি’। সেটি পরে সাদা রং করে প্লাস্টার করে দিয়েছে। প্লাস্টারের পরেও তার এই লেখাটা কিন্তু এখনো জেআইসি সেলের একটি রুমে আছে। আমরা এগুলো সিলগালা করে রেখেছি। বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলো আমাদের কাস্টডিতে থাকবে।