তিনি জানান, গত ২৮ জুলাই স্কুলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র্যালির উদ্বোধন করা হলো।
নগরবাসীর উদ্দেশে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, চলার পথে হাতে থাকা টিস্যু, পানির বোতল বা ছোট কোনো কনটেইনার যেখানে-সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। সবাই সচেতন হলে রাস্তার পাশে বিচ্ছিন্নভাবে আবর্জনা পড়ে থাকবে না। আমরা একটি সুন্দর নগর উপহার দিতে চাই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, কোনো বাসাবাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে যোগ দিয়েছেন। তাদের মাধ্যমে দ্রুত অভিযান শুরু করা হবে। তিনি বলেন, ডিএনসিসির কোনো স্থাপনায় ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া গেলে কিংবা কোনো বাসাবাড়ির সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে ময়লা ফেলে রাখলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সফল করতে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। এতে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।