বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে তখন হাজারো শিশু-কিশোরের উচ্ছ্বাস। চোখেমুখে তাদের বড় হওয়ার স্বপ্ন, নিজেকে বিশ্বমঞ্চে প্রমাণ করার অদম্য আকাঙ্ক্ষা।
সেই স্বপ্নবাজ শিশু-কিশোরদের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সরকার। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের সমাপনী অনুষ্ঠানে খুদে অ্যাথলেটদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এই শিশুরাই একদিন আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে ট্রফি জয় করে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।আর তাদের এই যাত্রায় পড়াশোনা, খেলাধুলা ও শিল্পচর্চায় সর্বাত্মক সহায়তা দিয়ে যাবে সরকার।যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত কিশোর-কিশোরীদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের এই জাতীয় প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি ছিল এক জমকালো মিলনমেলা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেন।গ্যালারিতে বসা শিশুদের দেখিয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এখান থেকেই বেরিয়ে আসবে দেশের ভবিষ্যৎ ডাক্তার, আর্কিটেক্ট, ইঞ্জিনিয়ার এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার, সুইমার ও টেনিস খেলোয়াড়।
‘ নিজেকে কখনোই ছোট না ভেবে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলার তাগিদ দেন তিনি। আজকের এই খুদে প্রতিভাদের সাফল্যের পেছনে যে নেপথ্য কারিগররা রয়েছেন, তাদের কথাও ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী। বাবা-মা, শিক্ষক ও কোচদের নিরলস পরিশ্রমের প্রতি তিনি অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। শিশুদের সার্বিক বিকাশে সরকারের সদিচ্ছার কথা তুলে ধরে তিনি আশ্বস্ত করেন, অনেক স্কুলে এখনো বসার জায়গা বা ফ্যানের যে সংকট রয়েছে, তা সরকার অবগত এবং এগুলোর সমাধানে কাজ চলছে।শুধু মেধা বা খেলায় সেরা হওয়াই নয়, ভবিষ্যৎ নাগরিকদের মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।