এর আগে এক মার্কিন কর্মকর্তা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চলা আলোচনাকে ইতিবাচক ও গঠনমূলক বলেছিলেন। কিন্তু ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তার শর্ত মানবে কি না, তা নিয়ে ট্রাম্প সন্দিহান। তিনি সহযোগীদের কাছে আবার বোমা হামলার সম্ভাবনার কথাও বলেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন। সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় তেল পরিবহনও ব্যাহত হয়েছে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজে নিরাপদ নৌচলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানকে অবহিত করেছেন আরাগচি।
অন্যদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট শনিবার জানিয়েছে, রিয়াদ অভিমুখী দুটি ড্রোন এবং খামিস মুশাইতকে লক্ষ্য করে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে তারা। জোটের দাবি, ইয়েমেনের হুথিরা এগুলো ছুড়েছে। শুক্রবার রিয়াদে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক প্রধানেরা নিরাপত্তা হুমকি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে বৈঠক করেন।
হরমুজে চলাচল অনেকটাই বন্ধ থাকায় বিকল্প লোহিত সাগর রুটও হুথিদের হামলায় ঝুঁকিতে পড়েছে। ইউনিসেফ জানিয়েছে, ইয়েমেনে নতুন করে লড়াই মানবিক সংকট বাড়াচ্ছে; শিশুদের মধ্যে তীব্র অপুষ্টিও বাড়ছে।