তিনি বলেন, প্রদর্শনীতে টয়োটা প্রিয়াস, করোলা ক্রস, হ্যারিয়ার, নোয়া, ভক্সি ও আলফার্ডসহ জাপানের বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ও মডেলের রিকন্ডিশন্ড গাড়ি প্রদর্শন করা হবে।
রিয়াজ রহমান বলেন, বাংলাদেশের পরিবহন খাতে জাপানি গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। পাশাপাশি রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ব্যবসার সঙ্গে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সরকারের রাজস্ব আয়ের বিষয়ও জড়িত।
তিনি বলেন, বসুন্ধরায় আইসিসিবিতে আগামী ৫ নভেম্বর শুরু হতে যাওয়া বারভিডা কার এক্সপো প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। দর্শনার্থীদের জন্য এন্ট্রি ফি ফ্রি করা হয়েছে। তবে সবাইকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে রিকন্ডিশন্ড গাড়ির বাজারকে আরও গতিশীল করা, ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো এবং জাপানি গাড়ির গুণগত মান ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এক্সপোর মাধ্যমে বারভিডা কিছু লক্ষ্য অর্জন করতে চায় জানিয়ে বারভিডা মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ির বাজারকে আরও জনপ্রিয় ও গতিশীল করা; ক্রেতা ও গাড়ি ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি করা; একই স্থানে বিভিন্ন মডেল ও দামের গাড়ি দেখার সুযোগ তৈরি করা; জাপানি গাড়ির গুণগত মান, নির্ভরযোগ্যতা ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা; বাংলাদেশে জাপানি গাড়ির ৫০ বছরের ঐতিহাসিক অবদান তুলে ধরা; দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয়ে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি খাতের অবদান তুলে ধরার মতো লক্ষ্য অর্জন করতে চায় বারভিডা।
বারভিডা মনে করে, অটোমোবাইল খাত শুধু গাড়ি আমদানি ও বিক্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই খাতের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিপুল কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, বিনিয়োগ, প্রযুক্তির বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক।
কার এক্সপোতে গাড়িপ্রেমী, সম্ভাব্য ক্রেতা, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষকে পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানিয়েছে বারভিডা।